Quick কুইজ প্রতিযোগিতা Quick কুইজ প্রতিযোগিতা Quick কুইজ প্রতিযোগিতা আজকেই অংশগ্রহণ এবং মূল্যবান পুরস্কার অর্জন করুন। নূন্যতম প্রাইজ ( 100 SR ) 100 সৌদি রিয়াল ।     সম্মানিত দর্শক, শ্রতা ও পাঠকগণ, আপনারাদের সুবিধার জন্য ওয়েব সাইটের মূল প্যাজে ভিডিও অপশান বাড়ানো হলো। এখন খেকে আপনারা শতাধিক ভিডিও থেকে প্রয়োজন অনুসারে নিজ পছন্নমত বিষয় নির্বাচন করে দেখতে পারবেন।     সম্মানিত দর্শক ও শ্রতাগণ, আপনাদেরকে সবিনয় অনুরোধ করা যাছে যে, আপনারা আপনাদের যে কোন গঠনমূলক সমালোচনা ও সুপরামর্শ জানিয়ে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে ভুলবেন না। আপনাদের সুপরামর্শের জন্য আপনাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।    
  • দর্শক কাউন্টার

    Flag Counter

     


    সিয়ামের গুরুত্ব ও তার ফযীলত





    বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম

    সিয়ামের গুরুত্ব ও তার ফযীলত

     সিয়ামের আভিধানিক ও শারয়ী অর্থ : সিয়ামের আভিধানিক অর্থ হলো বিরত থাকা এবং শারয়ী অর্থ হলো: বিশেষ শর্তাবলীর ভিত্তিতে সুবহে সাদেক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যে কোন ধরনের পানাহার ও স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকা। সিয়ামের শার‘য়ী দলীলঃ রমাযানের সিয়াম ইসলামের অন্যতম রুকন ও ফরয, যার দলীল কোরআন, হাদীস ও এজমা। কোরআনঃ আল্লাহ তাআলা বলেন,

     ( يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ )

    হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর সিয়াম ফরয করা হয়েছে যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর ফরয করা হয়েছিল, যেন তোমরা তাক্বওয়া অর্জন করতে পার।” [ সূরা বাক্বারাঃ ১৮৩ ] এবং আরো বলেন,

     ( شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِيَ أُنزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِّنَ الْهُدَى وَالْفُرْقَانِ فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ ) 

    রমাযান মাস, যার মধ্যে কোরআন নাযিল করা হয়েছে মানবজাতির হেদায়েত সরূপ এবং হেদায়েত ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যের উজ্জ্বল নিদর্শন হিসাবে। অতএব, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সে মাসে (নিজ আবাসে ) উপস্থিত থাকে সে যেন রোযা রাখে। [ সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫ ] উপরোক্ত আয়াতে আল্লাহ তায়ালা রোযা রাখার আদেশ করেছেন, যার দ্বারা ফরয সাব্যস্ত হয়। হাদীসঃ রাসূলুল্লাহ [স:] বলেন:ইসলামের ভিত্তি ৫টি স্তম্ভের উপর হয়েছে .....।”  এর মধ্যে রমাযানের রোযার উল্লেখও করা হয়েছে। [ বুখারী ও মুসলিম ]  অবশিষ্ট স্তম্ভ ৪টি কি কি? এজমাঃ মুসলমানদের সমসত উলামায়ে কেরামগণ রোযা ফরয হওয়ার এবং যে তা অস্বীকার করবে তার কাফের হওয়ার ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করেছেন। সিয়ামের ফযীলত ১- সিয়াম একটি বিশেষ ইবাদত যার জন্য আল্লাহ তায়ালা বিশেষ প্রতিদান রেখেছেন। রাসূলুল্লাহ [স:] বলেছেন,আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ বনী আদমের প্রত্যেকটি আমল তার জন্য সিয়াম ব্যতীত;কেননা সিয়াম আমার জন্য এবং আমিই তার প্রতিদান দান করব। সিয়াম ঢাল সরূপ। সুতরাং,যখন তোমাদের কাহারো রোযার দিন আসে তখন সে যেন অশ্লীল কথা, কাজ, আচরণ ও সহবাস ইত্যাদি না করে এবং হৈচৈ বা ঝগড়া না করে। যদি তাকে কেউ গালি দেয় অথবা তার সাথে ঝগড়া করে তাহলে তার বলা উচিত আমি রোযাদার ব্যক্তি।যাঁর হাতে মুহাম্মাদ [স:] -এর জীবন তাঁর কসম! রোযাদারের মুখের গন্ধ কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট মেশকের চেয়েও বেশী খোশবুদার। রোযাদারের দুটি আনন্দ। ইফতারের সময় আনন্দ এবং রোযার কারণে কেয়ামতে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের আনন্দ। [ বুখারী ও মুসলিম ] ২- জান্নাতে একটি দরজা রয়েছে যাকে রাইয়্যানবলা হয়। রোযাদার ব্যতীত কেউ সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। রাসূলুল্লাহ ৎ বলেছেন,জান্নাতে একটি দরজা আছে যাকে রাইয়্যানবলা হয়। যা দিয়ে কিয়ামতের দিন শুধু মাত্র রোযাদারগণই প্রবেশ করবে, অন্য কেউ প্রবেশ করবে না। বলা হবেঃ রোযাদারগণ কোথায়? অতঃপর তারা দাঁড়াবে, তারা ছাড়া কেহই সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না। তাদের প্রবেশ করার পর দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। [ বুখারী ও মুসলিম ] ৩- ঈমানের সাথে ছাওয়াবের নিয়্যাতে যে ব্যক্তি রোযা রাখবে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। রাসূলুল্লাহ (স:) বলেছেন: যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ছাওয়াবের নিয়্যাতে রমাযান মাসের রোযা রাখবে তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [ বুখারী ও মুসলিম ] ৪- সিয়াম গুনাহের কাফ্‌ফারা। রাসূলুল্লাহ [স:] বলেন: পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, এক জুমআ থেকে অপর জুমআ পর্যন্ত,এক রমাযান থেকে অপর রমাযান পর্যন্ত কাফ্‌ফারা সরূপ যদি কাবীরা গুণাহ থেকে দূরে থাকে। [মুসলিম ] ৫-সিয়াম কিয়ামতের দিন সুপারিশ করবে। রাসূলুল্লাহ [স:] বলেন: সিয়াম ও কোরআন কিয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। সিয়াম বলবেঃ হে রব! দিনে আমি তাকে খানা-পিনা ও আত্মতৃপ্তি থেকে বিরত রেখেছি তাই তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। আর কোরআন বলবেঃ আমি তাকে রাত্রিতে নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছিলাম তাই তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। উভয়েরই সুপারিশ কবুল করা হবে। [ মুসনাদে আহমাদ, শায়খ আলবানী (রহঃ) ছহীহ বলেছেন-ছহীহুল জামে/৩৮৮২] সিয়ামের উপকারিতা সিয়াম আত্মশুদ্ধির ব্যাপারে সর্বাধিক উপকারী ইবাদত সমূহের অন্তর্ভুক্ত। তার বহু উপকারিতা রয়েছে। তন্মদ্ধে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হলোঃ ১- সিয়াম হৃদয়ে তাক্বওয়ার বীজ বপন এবং হারাম থেকে অঙ্গ-পতঙ্গকে রক্ষার উপকরণ। আল্লাহ তায়ালা বলেন,

     ﴿يَاأَيُّهَاالَّذِينَآمَنُواْكُتِبَعَلَيْكُمُالصِّيَامُكَمَاكُتِبَعَلَىالَّذِينَمِنقَبْلِكُمْلَعَلَّكُمْتَتَّقُونَ

    হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর সিয়াম ফরয করা হয়েছে যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর ফরয করা হয়েছিল, যেন তোমরা তাক্বওয়া অর্জন করতে পার। [সূরা বাক্বারাঃ ১৮৩] ২- সিয়াম দ্বারা